প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বাসা থেকেই অফিস করুন

এই করোনায় বাসায় বসে অফিসের কাজ করুন

করোনায় বাসায় বসে অফিস করুন

বর্তমান সময়ে বিশ্বযখন করানো ভাইরাসের মহামারীতে জর্জরিত  ঠিক তখনি দেশ-জাতি, পৃথিবী মহাদুর্যোগের ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। গৃহবন্দী হতে হচ্ছে আপনাকে।

এ কারণে আপনাকে খুজতে হবে বিকল্প পথ। ভাবতে হচ্ছে কি ভাবে সামলাবেন আপনার অফিস। কিভাবে সচল রাখবেন অফিসের অর্থনীতির গতিধারাকে? বিদেশে অর্থনীতির গতি সচল রাখতে যে আশ্রয় নিচ্ছে প্রযুক্তির। কনোভাইরাসে চিন যখন আক্রান্ত হয় তখন দেশটি সহযোগিতা নিয়ে ছিল সুপার কম্পিউটারের এবং চীনের অর্থনীতি এবং দোকানপাট অনলাইন থাকার কারণে গ্রাহকরা বাজারে যেতে হয়নি তারা ঘরে বসে থেকেই পেয়েছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী। তারা প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ঘরে বসেই অফিস করেছে। শুধু চীন নয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ এখন  ঘরেবসেই  অফিসের কাজ চালাচ্ছেন। আমাদের দেশেরও প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে ঘরে বসেই আপনিও পারেন অফিস করতে।

প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বাসা থেকেই অফিসঃ

আসলে আমরা যদি দেখি প্রযুক্তিনির্ভর কোম্পানিগুলি যারা কাজ করছে তারা আসলে তাদের হেডকোয়ার্টার গুলি দেখা যায় একটা জায়গার মধ্যে এবং তাদের কর্মী বাহিনী পুরো বিশ্বজুড়েই রয়েছে এভাবেই কাজের গতি এগিয়ে চলছে আর এই গতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ক্লাউড কম্পিউটিং। আর এই ক্লাউড কম্পিউটিং আমাদের বাংলাদেশে রয়েছে। বাংলাদেশ এর বাইরে নয়। এবার প্রশ্ন  ক্লাউডে কি আসলেই সবকিছু করা সম্ভব?  যদি সম্ভব তাহলে কিভাবে? একটা অফিসে সাধারণত আমাদের কি কি দরকার হয়? যদি আমরা  সাধারণ একটি অফিসের কথা চিন্তা করি তাহলে আমরা দেখতে পাব একটি অফিসে ইমেইল, ওয়ার্ড প্রসেসিং একাউন্টস ইনভেন্টরি, রিটেল ব্যবসার জন্য পয়েন্ট অফ সেল কমার্স এবং অফিসের সমস্ত আসবাবপত্র ঠিক আছে কিনা রাখার জন্য ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং অফিসে যথাসময়ে ইমপ্লোয়ীরা আসছে কিনা এর জন্য এইচআর ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।  অবকাঠামোর দিক থেকে দরকার পড়ে একটি ফাইল স্টোরেজ সিস্টেম । আর এই  পুরো সিস্টেমটি ব্যবহার করার জন্য দরকার পড়ে আপনার একটি কম্পিউটার।

আমরা যদি এই অফিসের যাবতীয় সিস্টেম গুলিকে ক্লাউডের মধ্যে ইন্সটল করে রাখি এবং আমরা যেকোন হার্ডওয়ারের মাধ্যমে এক্সেস করে আমাদের এই প্রয়োজনটুকু মেটাতে পারি তাহলেই তো আমরা ঘুরে বেড়াতে পারি পৃথিবীর যে কোন জায়গাতে এবং আমার প্রয়োজন মত আমি ডাটাগুলো এক্সেস করতে পারছি আসলে একেই বলে ক্লাউড কম্পিউটার।

হয়তো আমরা খেয়াল করছি না আমাদের টিভি গুলি স্মার্ট টিভি হয়ে গেছে আসলে স্মার্ট টিভির প্রয়োজনীয়তা কি শুধুমাত্র ইউটিউব দেখা ? আসলে তা নয় স্মার্ট টিভির সত্যিকারের ব্যবহার হচ্ছে স্মার্ট টিভির সাথে আপনি একটি কিবোর্ড একটি মাউস সংযোগ করতে পারছেন এবং একটু আগে আমরা যা বললাম তার সমস্ত সফটওয়্যারগুলি একটি ক্লাউড মধ্যে থাকছে , তাহলে আপনি যেকোন একটা ডিভাইসের মাধ্যমে অথবা স্মার্ট টিভির মাধ্যমে আপনি একটা ব্রাউজারের মধ্যে যাচ্ছেন সেখানে আপনি আপনার অফিসের  সার্ভিস ব্যবহার করতে পারছেন আপনার এইচ আর সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারছেন, আপনার ইনভেন্টরি ম্যানেজ করতে পারছেন এমনকি আপনার একাউন্টিং সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারছেন এবং এই রিপোর্ট আপনি পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেক বসেই দেখতে পারছেন তাহলে একে কি বলা হয়?

হোম অফিস বা ক্লাউড অফিসঃ

বলতে পারেন হোম অফিস বা ক্লাউড অফিস  এই হোম অফিস বানানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে বড় বড়  কোম্পানিগুলো ক্লাউড তৈরি করে আসছে। বাংলাদেশেও  এরকম  কোম্পানি আছে যার নাম প্লেক্সাস ক্লাউড এটি ওপেন সোর্সভিত্তিক ক্লাউড কম্পিউটিং

দীর্ঘদিন এই সেবা গুলি দিয়ে যাচ্ছে তারা। তাদের রয়েছে ইমেইল এবং ক্লাউড স্টোরেজ বিজনেস সলিউশন যার মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন একাউন্টস পেরোল ইনভেন্টরি পয়েন্ট অফ সেল আইপি টেলিফোনি সমস্ত সেবা একসাথে এবং পুরো সেবাটি একটি ক্লাউড এর মধ্যে ইন্সটল করা এবং এটি  বাংলাদেশের ক্লাউড তাই সেবা পেতে  অন্য কোন দেশের উপরে  পরমুখাপেক্ষিতা থাকবেনা।

সুত্র: আলোকিত বাংলাদেশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *